বিজেপি বিধায়কের কার্যালয় উদ্বোধন পিংলায়, উপস্থিত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারী ও রাজ্যের সেচ মন্ত্রী অরূপ দাস•পিংলার বড়িশা বিদ্যালয়ে বিজেপি কর্মীদের নিয়ে শুরু হল দীনদয়াল উপাধ্যায় মহাভিযান কর্মসূচী •বাঁকুড়ার চকবাজার পরিদর্শনে বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা, উন্নয়ন ও দখলমুক্ত ফুটপাত গড়ার বার্তা•পুলিশের জালে ৩০ লক্ষ টাকার জাল লটারি, গ্রেপ্তার ১•বাবার বকুনির পর যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ•
মমতার ‘কালারফুল বয়’ মদন এখন 'সুখের পালঙ্ক ছেড়ে খাটিয়া’য়
By Reporter Sabyasachi July 17, 2026
Share:
সত্যি ভীষণ বৈচিত্রে ভরা চরিত্র কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। যত রঙ ঠাক মমতার প্রতি আনুগত্ব তার প্রশ্নতীত। সেই মদন মিত্র এবার হাত ছাড়লেন মমতার। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার দু’বছরের মাথাতেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক। মমতার প্রথম মন্ত্রিসভায়, ক্রীড়ামন্ত্রী এবং পরিবহণ মন্ত্রীও ছিলেন তিনিই। মমতার 'কালারফুল বয়'ই এখন ঋত-তৃণমূলে। বুধবার তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ভাঙনের মরশুমে হাত ধরেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 'সুখের পালঙ্ক ছেড়ে খাটিয়া'য় কামারহাটির বিধায়ক। তিনিই এখন ঋতব্রতর 'রোনাল্ডিনহো'। তার ফলে স্বাভাবিকভাবেই আরও নিঃসঙ্গ মমতা। মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই পুত্রকে তলব করে ইডি। মদনের দাবি, মমতাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন তলবের কথা। 'দিদি' নাকি সেভাবে পাশে দাঁড়াননি। পরিবর্তে বলেছেন, 'লাগেজ, ব্যাগেজ থাকলেই মুশকিল।' তাতেই নাকি মন ভাঙে দীর্ঘদিনের সৈনিকের। তারপরই সিদ্ধান্ত নেন 'দিদি'র হাত ছাড়ার। মেসেজে 'সরি' লিখেই মুখ ফেরান।
মঙ্গলবার রাতে এন্টালির প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে যান। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। বুধবার দক্ষিণেশ্বরের বাড়ি থেকে সোজা বিধানসভায় আসেন। দেখা যায় ঋতব্রত শিবিরের পাশে। সুর চড়ান অভিষেকের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক চ্ছিন্ন করার কথা সাফ জানিয়ে দেন। বলেন, তিনি শুধু তৃণমূল বিধায়ক নন। এই রাজ্যের বিধায়ক। বিধানসভার সদস্য। আরও বলেন, "ওই ঘরে হয়তো একটা সুখের পালঙ্ক ছিল। এই ঘরে হয়তো একটা খাটিয়া রয়েছে। আমি খাটিয়ার দিকটাই বেছে নিলাম।" তিনি দাবি করেন, "দীর্ঘদিন তৃণমূলের পাশে ছিলাম। থাকার চেষ্টা করেছি।" প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগেও ঋত তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন মদন। শিবির বদলের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বোমা ফাটান মদন। তিনি বলেন, "অভিষেক আর যাই হোক তৃণমূলের মুখ নয়। আর আইপ্যাক খায় না মাথায় দেয়, সেটাও বোঝা যায়নি। জটিল ব্যাপার ছিল একটা। একজনের জন্য দল নয়। দল সকলের। অভিষেকের সঙ্গে তৃণমূল ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।" আরও অনেকেই দল ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পারেন বলে ভবিষ্যদ্বাণীও করেন তিনি। ঋত তৃণমূলের বৈঠকে যোগ দেওয়া অনুব্রতর গলাতেও শোনা যায় একই সুর।