বিশ্বকর্মা পুজোয় জলদাপাড়ায় কুনকি হাতিদের বিশেষ পুজো, আখ-কলা পেয়ে খুশি 'মমতাজ-রায়ানরা'•বিশ্বকর্মা পুজোয় রামসাইতে জীবন্ত হাতি পুজো! বীর ও কাবেরীকে ঘিরে ভিড় পর্যটকদের, বার্তা সহাবস্থানের•ভোটার কার্ডের নথি যাচাইয়ের নামে ঘরে ঢুকে যুবতীকে শ্লীলতাহানি! আউশগ্রামে ধৃত শিক্ষক তথা বিএলও•কল সেন্টারের আড়ালে দেশজুড়ে লোন প্রতারণা! বর্ধমানে চক্রের পর্দাফাঁস, মূল চক্রী সহ গ্রেফতার ৭•বিশ্বকর্মা পুজোর বাহানায় মিলল না সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, ভাড়ার গাড়িতেই প্রসব! পানাগড়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবল বিক্ষোভ•
কাটমানি ও তোলাবাজির অভিযোগ, সাংসদ দেব ও আপ্ত-সহায়কের বিরুদ্ধে ঘাটাল-পাঁশকুড়া সড়কে বিস্ফোরক হোর্ডিং
By Reporter Sabyasachi August 23, 2026
Share:
বন্যা পরিস্থিতি এবং এলাকার উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক ইস্যুতে আবার উত্তপ্ত ঘাটালের রাজনীতি। ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ তথা তারকা অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব), তাঁর আপ্ত-সহায়ক রামপদ মান্না এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য সৌমিত্র সিংহ রায় সহ একাধিক শাসকদলীয় নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে জায়গায় জায়গায় হোর্ডিং টাঙানোকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘাটাল-পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কের ধারে ঘাটাল ও দাসপুরের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎই নজর কাড়ে এই বিস্ফোরক হোর্ডিংগুলি। সেখানে সাংসদ দেবকে সরাসরি কটাক্ষ করে লেখা হয়েছে, "৩০ পারসেন্ট কাটমানি খোর ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের চ্যাম্পিয়ন এখন কোথায় শুটিং করতে ব্যস্ত? এত বছরের এমপি হয়ে ঘাটালের মানুষের জন্য কী করেছেন?"
হোর্ডিংয়ে শুধু সাংসদ নন, বিদ্ধ হয়েছেন তাঁর আপ্ত-সহায়ক রামপদ মান্নাও। অন্য একটি হোর্ডিংয়ে দাসপুরের দাপুটে তৃণমূল নেতা ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য সৌমিত্র সিংহ রায়কে নিশানায় এনে লেখা হয়েছে— "প্রমোটার রাজ, রাস্তার টেন্ডার বণ্টন লুট, বালি সিন্ডিকেট, তোলাবাজির সিন্ডিকেট ও মাটি চুরির সিন্ডিকেট রাজ চালানোর মাস্টারমাইন্ড।"
এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও সাংসদের আপ্ত-সহায়ক রামপদ মান্না ক্যামেরার সামনে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেননি।
অন্যদিকে, এই ইস্যু নিয়ে শাসকদলকে তোপ দেগেছেন দাসপুরের বিজেপি নেতা প্রশান্ত বেরা। তিনি জানান, "ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সবং সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ এমন বিপর্যয়ের সময়েও নিজেদের সাংসদকে দেখতে পাচ্ছেন না। এমনকি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যখন বন্যা পরিদর্শনে এলেন, তখনও তৃণমূলের এই জনপ্রতিনিধিদের কোনো দেখা পাওয়া যায়নি। তৃণমূল নেতাদের ওপর সাধারণ মানুষের মারাত্মক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই পোস্টার বা হোর্ডিং ঠিক কারা দিয়েছে তা জানা না থাকলেও, এতে উঠে আসা অভিযোগগুলোর বাস্তবতা অস্বীকার করা যায় না।"