বিশ্বকর্মা পুজোয় জলদাপাড়ায় কুনকি হাতিদের বিশেষ পুজো, আখ-কলা পেয়ে খুশি 'মমতাজ-রায়ানরা'•বিশ্বকর্মা পুজোয় রামসাইতে জীবন্ত হাতি পুজো! বীর ও কাবেরীকে ঘিরে ভিড় পর্যটকদের, বার্তা সহাবস্থানের•ভোটার কার্ডের নথি যাচাইয়ের নামে ঘরে ঢুকে যুবতীকে শ্লীলতাহানি! আউশগ্রামে ধৃত শিক্ষক তথা বিএলও•কল সেন্টারের আড়ালে দেশজুড়ে লোন প্রতারণা! বর্ধমানে চক্রের পর্দাফাঁস, মূল চক্রী সহ গ্রেফতার ৭•বিশ্বকর্মা পুজোর বাহানায় মিলল না সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, ভাড়ার গাড়িতেই প্রসব! পানাগড়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবল বিক্ষোভ•
নন্দীগ্রাম থেকে মমতাকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার জন্য অনুরোধ মদন মিত্রের
By Reporter Sabyasachi September 10, 2026
Share:
'নন্দীগ্রাম' মানেই প্রথম থেকেই উত্তেজনা। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘোষণা হওয়া পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে উন্মাদনা। প্রশ্ন উঠেছে এবার তৃণমূল(মমতা ) কাকে প্রার্থী করবে। এই বিতর্কের মধ্যেই মদন মিত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়ানোর অনুরোধ করলেন। ঋতপন্থী তৃণমূল নেতা মদন মিত্র (Madan Mitra) জানালেন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেন তাহলে তারা প্রার্থী দেবেন না। অপরদিকে, নন্দীগ্রামের আর এক দাপুটে নেতা আবু-তাহেরও জানিয়েছেন, দলের সুদিনে যখন তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি দুর্দিনে প্রার্থী হবেন না। মদন মিত্র বলেন, “নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেননি। গণতন্ত্রে শাসকের বিরুদ্ধে বিরোধীরা যদি একজোট হয়ে লড়াই করেন তাহলে গণতন্ত্রে মানুষ ভবিষ্যতের সন্ধান পায়। ঐক্যবদ্ধ হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা কতখানি আছে তাতে না গিয়ে উনি যদি নন্দীগ্রামে দাঁড়ান তাহলে আমরা প্রার্থী দেব না। এতে প্রমাণ হবে, বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও ভাগ করার সুযোগ আমরা তুলে দিইনি। মমতাকে ময়দান ছেড়ে দিয়েছি। আর একটা প্রমাণ হবে। বিজেপির বি টিম কারা? আমরা হলে দুয়ের জায়গায় তিন-চার করতে পারতাম।”
অপরদিকে, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী হন বলেছেন তৃণমূল নেতা আবু তাহের। তাঁর দাবি, সুদিনে দল প্রার্থী করেনি দল তাই দুর্দিনেও কেন প্রার্থী হবেন? এখানে উল্লেখ্য, শুরুটা হয়েছিল নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলন থেকেই। সেই আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে প্রথম থেকেই ছিল অধিকারীরা। সঙ্গে অবশ্যই শেখ সুফিয়ান,আবু তাহের, স্বদেশ দাস একাধিক নেতৃতরা। আন্দোলন সুফল পেয়েই সরকার ক্ষমতায় আসে ২০১১ সালে। ক্ষমতায় আসার পর সুফল পান সুফিয়ান। তিনি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ সহ সভাধিপতি হন। ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদও। সেই তুলনায় আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য মুখ হলেও বঞ্চিত আবু তাহের। তাঁর ভাগ্যে জুটেছে একাধিক মামলা। তার জেরে নন্দীগ্রাম ছেড়ে থাকতে হয়েছে বাইরেও।