রুদ্রনগরে সিপিআই(এম)-এর বিশাল জনসভা, ৭ দফা দাবিতে সরব মীনাক্ষী মুখার্জী ও সায়ন ব্যানার্জী•শক্তিপুর থানায় হাজিরা দিলেন হুমায়ুন কবীর •গ্রেপ্তার খড়গপুরের তৃনমূল নেতা দেবাশীষ চৌধুরী •জায়েন্ট স্ক্রীনে বিশ্বকাপ দেখানোর প্রস্তুতি •বালি বোঝাই ১৬টি গাড়ি আটক করলো রামপুরহাট থানার পুলিশ•
১ অগাস্ট থেকে বদলাচ্ছে মিড ডে মিলের রূপরেখা, 'নজর পুষ্টিতে', বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
By Reporter Sabyasachi July 15, 2026
Share:
সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খাবারের মান উন্নয়ন এবং স্কুলপড়ুয়া শিশুদের আরও পুষ্টিকর আহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা-দুই ক্ষেত্রেই খাদ্য বাবদ বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১ অগাস্ট, ২০২৬ থেকে এই নতুন হার কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, রাজ্য বাজেটে এই দুই ক্ষেত্রে বরাদ্দবৃদ্ধির উল্লেখ ছিল।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ''পশ্চিমবঙ্গ সরকার 'পিএম-পোষণ' (PM-POSHAN) প্রকল্পকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের পুষ্টির সহায়তা বৃদ্ধি, রাঁধুনি-সহায়কদের (Cook-cum-Helpers) জন্য বাড়তি সহায়তা প্রদান এবং সমস্ত স্কুলে এলপিজি (LPG) সংযোগের সুবিধা সম্প্রসারণ। আমরা ৫১.৬১ লক্ষ প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য মাথাপিছু দৈনিক রান্নার খরচ ৬.৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করার অনুমোদন দিয়েছি। এছাড়া, প্রতিটি ইউনিটে ৩,০০০ টাকা করে এলপিজি সংযোগ স্থাপনের খরচ বহন করার মাধ্যমে 'পিএম-পোষণ' প্রকল্পের আওতাভুক্ত স্কুলগুলিতে ১০০% এলপিজি সুবিধা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৪১৪.৬৩ কোটি টাকার এই পদক্ষেপগুলি আমাদের শিশুদের জন্য নিরাপদ রান্নাঘর এবং অধিক পুষ্টিকর আহার নিশ্চিত করবে।''
মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, ''আমাদের প্রায় ২.২৪ লক্ষ রাঁধুনি-সহায়কের অমূল্য অবদানের কথা বিবেচনা করে, আমরা তাঁদের মাসিক সাম্মানিক ভাতা ২,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করার অনুমোদন দিয়েছি; এর জন্য প্রায় ২২৪ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। মোট ৬৩৯ কোটি টাকার এই অনুমোদনগুলি স্কুল শিক্ষাকে শক্তিশালী করা, প্রতিদিন আমাদের শিশুদের সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের সহায়তা করা এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি শিশু যাতে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পুষ্টিকর খাবার পায় তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আমাদের অবিচল অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। আজকের শিশুদের জন্য বিনিয়োগ করা মানেই বাংলার ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করা।''
মঙ্গলবার হুগলির তারকেশ্বরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচি রয়েছে। সকালে কলসযাত্রা করবেন সাধু সন্তরা। তাঁরা মন্দিরে পুজো দিয়ে পৌঁছোবেন বালিগরী মাঠে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী সভা করেছিলেন। সেই মাঠেই হবে সাধুসন্তদের নিয়ে সম্মেলন। ওই সম্মেলনেই দুপুর ২টো নাগাদ যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, কার্তিক মহারাজ-সহ অন্যান্য মঠের মঠাধিস। শ্রাবণী মেলার সূচনা এবং মহারুদ্র যজ্ঞের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রুদ্রযজ্ঞ শুরু হবে আগামী ১৫ জুলাই। চলবে পাঁচ দিন ধরে। শ্রাবণী মেলা শুরু হবে আগামী ১৮ জুলাই থেকে।