রুদ্রনগরে সিপিআই(এম)-এর বিশাল জনসভা, ৭ দফা দাবিতে সরব মীনাক্ষী মুখার্জী ও সায়ন ব্যানার্জী•শক্তিপুর থানায় হাজিরা দিলেন হুমায়ুন কবীর •গ্রেপ্তার খড়গপুরের তৃনমূল নেতা দেবাশীষ চৌধুরী •জায়েন্ট স্ক্রীনে বিশ্বকাপ দেখানোর প্রস্তুতি •বালি বোঝাই ১৬টি গাড়ি আটক করলো রামপুরহাট থানার পুলিশ•
সাতসকালে মাঠ থেকে আদিবাসী গৃহবধূর দেহ উদ্ধার, ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ স্বামীর
By Reporter Sabyasachi July 07, 2026
Share:
সাতসকালে মাঠ থেকে উদ্ধার আদিবাসী গৃহবধূর দেহ! ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ স্বামীর, তদন্তে দেওয়ানদিঘী থানার পুলিশ
সাতসকালেই মাঠ থেকে এক আদিবাসী গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানা এলাকায়। দেওয়ানদিঘী থানার অন্তর্গত পালিতপুরের ক্যানেলপার সংলগ্ন একটি মাঠ থেকে ওই গৃহবধূর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার জেরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। মৃত গৃহবধূর স্বামীর দাবি, তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ, বুধবার সকালে দেওয়ানদিঘীর পালিতপুরের ক্যানেলপার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় একটি নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে তাঁরা সনাক্ত করেন যে, দেহটি এলাকারই এক আদিবাসী গৃহবধূর। মুহূর্তের মধ্যে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারা।
খবর দেওয়া হয় দেওয়ানদিঘী থানায়। পুলিশ এসে মাঠ থেকে রক্তাক্ত বা সন্দেহজনক অবস্থায় থাকা ওই গৃহবধূর মৃতদেহটি উদ্ধার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়ার পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনায় সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন মৃত গৃহবধূর স্বামী। তাঁর স্পষ্ট দাবি— তাঁর স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়ানদিঘী থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। শোকগ্রস্ত পরিবারটি আপাতত পুলিশের প্রাথমিক পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে।
খবর পেয়ে দেওয়ানদিঘী থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দেহটি উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে পুলিশ ইতিমধ্যেই মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এটি আদোও ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য লুকিয়ে রয়েছে— তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ প্রশাসন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে বলে পুলিশ আধিকারিকদের অনুমান। এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এই ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।