বিশ্বকর্মা পুজোয় জলদাপাড়ায় কুনকি হাতিদের বিশেষ পুজো, আখ-কলা পেয়ে খুশি 'মমতাজ-রায়ানরা'•বিশ্বকর্মা পুজোয় রামসাইতে জীবন্ত হাতি পুজো! বীর ও কাবেরীকে ঘিরে ভিড় পর্যটকদের, বার্তা সহাবস্থানের•ভোটার কার্ডের নথি যাচাইয়ের নামে ঘরে ঢুকে যুবতীকে শ্লীলতাহানি! আউশগ্রামে ধৃত শিক্ষক তথা বিএলও•কল সেন্টারের আড়ালে দেশজুড়ে লোন প্রতারণা! বর্ধমানে চক্রের পর্দাফাঁস, মূল চক্রী সহ গ্রেফতার ৭•বিশ্বকর্মা পুজোর বাহানায় মিলল না সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, ভাড়ার গাড়িতেই প্রসব! পানাগড়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবল বিক্ষোভ•
চন্দ্রকোণায় কেঠিয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙন, জমি হারানোর আশঙ্কায় কৃষকেরা
By Reporter Sabyasachi September 08, 2026
Share:
কথায় আছে, "নদীর ধারে বাস বিপদ বারো মাস"। এই প্রবাদবাক্যই যেন হুবহু মিলে যাচ্ছে চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের দিয়াসা ও কাশকুলি গ্রামের কৃষকদের ক্ষেত্রে। প্রতিবছরই কেঠিয়া নদীর ভাঙনে একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে এখানকার কৃষকদের বহু মূল্যবান চাষের জমি। চলতি বর্ষায় সেই ভাঙন আরও মারাত্মক রূপ নিয়েছে।
ক্ষীরপাই কেঠিয়া নদীতে সিধু কানু সেতুর সামনে নদীর একদিকের পাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। লাগাতার বর্ষণে নদীর জল ফুলেফেঁপে ওঠায় ভাঙনের তীব্রতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
নদীর পাড়ে থাকা রাস্তা এবং একাধিক বড়সড় গাছ ইতিমধ্যেই ভেঙে তলিয়ে গেছে নদীগর্ভে। ভাঙন এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, সদ্য লাগানো কৃষকদের আমন ধানের জমি নদীর একেবারে পাড়ে এসে ঠেকেছে।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, এর আগেও নদীগর্ভে বহু চাষের জমি চলে যাওয়ায় তাঁরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে নদীর ভাঙনের কারণে নদীর গতিপথও বদলে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সর্বস্ব হারানোর ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। অবিলম্বে নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে এই বিপজ্জনক ভাঙন আটকানোর জোরদার দাবি জানিয়েছেন ক্ষোভ প্রকাশকারী কৃষকেরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে চন্দ্রকোণা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুকান্ত দোলই কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন এবং বাঁধ বাঁধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন দেখার বিষয়, ক্ষীরপাইয়ে কেঠিয়া নদীর এই ভয়াল ভাঙন রোধে এবং কৃষকদের বাঁচাতে প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কী ধরনের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।