কল সেন্টারের আড়ালে দেশজুড়ে লোন প্রতারণা! বর্ধমানে চক্রের পর্দাফাঁস, মূল চক্রী সহ গ্রেফতার ৭•বিশ্বকর্মা পুজোর বাহানায় মিলল না সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, ভাড়ার গাড়িতেই প্রসব! পানাগড়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবল বিক্ষোভ•" বিশ্বকর্মা পুজোতে বাংলায় নতুন শিল্পের জোয়ার শুরু হলো "- শুভেন্দু •শ্রীরামপুরে ২৬ সেপ্টেম্বর মমতার সভায় অনুমতি হাই কোর্টের, ১ হাজারের বেশি জমায়েত নয়•নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের আগে নতুন মোড়, নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ মমতার প্রার্থীর•
গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ! তৃণমূল ও সিপিআইএমের সমর্থনে বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত দখলে বিজেপি
By Reporter Sabyasachi September 18, 2026
Share:
তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে বড়সড় রাজনৈতিক উলটপুরাণ। দলীয় সদস্যদের একাংশ ও সিপিআইএম প্রার্থীর সমর্থনে বাঁকুড়া-১ ব্লকের জগদল্যা-২ গ্রাম পঞ্চায়েত দখলে নিল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের পর পঞ্চায়েত কার্যালয়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে 'শুদ্ধিকরণ' করার পাশাপাশি বিজয় উৎসবে মাতেন পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৩টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৮টি, বিজেপি ৪টি এবং সিপিআইএম ১টি আসনে জয়ী হয়েছিল। তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের প্রধান সম্প্রতি পদত্যাগ করায় নতুন প্রধান নির্বাচনের জন্য ভোটাভুটি আহ্বান করা হয়। মঙ্গলবার আয়োজিত সেই প্রক্রিয়ায় মোট ১২ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ভোটাভুটিতে বিজেপির ৪ জন সদস্য ছাড়াও তৃণমূলের ৭ জন এবং সিপিআইএমের ১ জন সদস্য বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন জানান। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিজেপির শ্যামলী চেল প্রধান এবং উত্তম মহাদানি উপপ্রধান নির্বাচিত হন।
ফলাফল প্রকাশের পর বিজেপির জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে নতুন প্রধান ও উপপ্রধানকে তাঁদের আসনে বসানো হয়। এর পরই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা পুরো পঞ্চায়েত কার্যালয়ে গঙ্গাজল ছিটিয়ে ‘শুদ্ধিকরণ’ করেন। বিজেপির দাবি, এতদিন ধরে চলা দুর্নীতি ও অচল অবস্থা থেকে পঞ্চায়েতকে মুক্ত করতেই এই প্রতিকী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই পালাবদল ঘিরে দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপি গায়ের জোরে এবং অনৈতিক উপায়ে এই পঞ্চায়েতটি ছিনিয়ে নিয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির পাল্টা দাবি, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক উপায়ে এবং ভোটাভুটির মাধ্যমেই বোর্ডের পরিবর্তন হয়েছে। ডাবল ইঞ্জিন সরকারের মাধ্যমে স্তব্ধ হয়ে থাকা উন্নয়নকে পুনরায় সচল করতেই দলমত নির্বিশেষে সদস্যরা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন।