অমাবস্যার ভরা কোটালে ভাঙলো নদী বাঁধ, আতঙ্কে এলাকাবাসী•পুলিশের পক্ষ থেকে বাইক চালকদের দেওয়া হচ্ছে মিষ্টি•মুড়িগঙ্গায় দুর্ঘটনার কবলে পানবোঝাই ট্রলার, অল্পের জন্য রক্ষা সকল যাত্রী•পুনর্নির্বাচন থেকে সরেই দাঁড়ালেন ফলতার অসহায় তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির! 'স্বাগত' শুভেন্দুর প্যাকেজকে•বাড়ছে শিক্ষার খরচ, চাপে সাধারণ পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা•
বিধানসভা নির্বাচনের মনোনয়ন পেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ। সোমবার দুপুরে কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনায় দুই পক্ষেরই একাধিক কর্মী জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ দিন। দুপুরে কাকদ্বীপ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থকরা মিছিল করে মহকুমা শাসকের দপ্তরের দিকে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় নতুনরাস্তা মোড়ে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বিজেপির শতাধিক কর্মী-সমর্থক জমায়েত ছিলেন। মিছিল এগোতেই মুখোমুখি অবস্থান—এরপরই শুরু হয় তীব্র স্লোগান-পাল্টা স্লোগান।
মুহূর্তের মধ্যে বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। রাস্তার উপরেই শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি, মারামারি। আতঙ্কে থমকে যায় যান চলাচল। পরিস্থিতি সামাল দিতে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা বিশাল পুলিশ বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে। লাঠি উঁচিয়ে দু’পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।
সংঘর্ষে দুই শিবিরেরই বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন, যদিও কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
তৃণমূল প্রার্থী মন্টু রামপাখিরার অভিযোগ,
“আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন দিতে যাচ্ছিলাম। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের মিছিলে ঢুকে উত্তেজনা ছড়ায়। ভোট বানচাল করতেই এই চক্রান্ত।”
পাল্টা বিজেপি প্রার্থী দীপঙ্কর জানার দাবি,
“আমাদের কর্মীরা শান্তভাবেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে। আমাদের একাধিক কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন।”
বর্তমানে এলাকায় কড়া পুলিশি টহল চলছে। প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং স্বাভাবিক রয়েছে।